এবং অচিরেই তোমার রব তোমাকে এমন কিছু দিবেন যে, তুমি সন্তুষ্ট হয়ে যাবে

যা পাইনি, তা কোন দিন পাওয়ার কথা ছিল না। আর যা পাব, তা কখনও হাতছাড়া হওয়া সম্ভব নয়, এই বিশ্বাসের নামই হল তাকদির। একজন মুমিন হিসেবে দৃঢ়ভাবে আমি এই বিশ্বাস বুকে ধারণ করি। এটা আমার যে-কোন আশাভঙ্গের বেদনাকে ধূলিসাৎ করে দেয়, না-পাওয়ার কষ্টকে প্রশমিত করে। তাকদীরের ওপর ঈমান মুসলিমের জীবনে কতটা গুরুত্বপূর্ণ, মাঝেমাঝে খুব টের পাই।

বান্দা আল্লাহর ব্যাপারে যেমন বিশ্বাস পোষণ করে, তিনি তার সাথে সেরকম আচরণ করেন। তাই আল্লাহর প্রতি সুধারণা রাখা মুমিন মুসলিমের অন্যতম কর্তব্য। কোন কিছু হাতছাড়া হওয়ার পর বান্দা যদি সবর করে এবং আল্লাহর ব্যাপারে এই ধারণা রাখে, নিশ্চয়ই এই বিষয়টি প্রাপ্তির মধ্যে আমার অকল্যাণ ছিল; সেজন্যই আল্লাহ আমাকে তা দেননি, তাহলে আশা করা যায় আল্লাহ তাকে তার প্রত্যাশার চেয়েও বেশি কিছু দান করবেন।

অনেক সময় আল্লাহ বান্দাকে তার কাঙ্ক্ষিত বস্তুটি দান করেন না এই জন্য যে, তিনি এর থেকেও ভাল কিছু তার জন্য আগামীতে বরাদ্দ রেখেছেন। তাই কোন জিনিস না পাওয়া মানে এই নয় যে, তার ভাগ্য খারাপ। মুমিন সবসময় বলবে, হাসবুনাল্লাহ ওয়ানি'মাল ওয়াকীল — আল্লাহই আমার জন্য যথেষ্ট এবং তিনিই উত্তম ব্যবস্থাপক।

আল্লাহ তাআলা বলেন,

এবং অচিরেই তোমার রব তোমাকে এমন কিছু দিবেন যে, তুমি সন্তুষ্ট হয়ে যাবে। [সুরা আদ্ব-দ্বোহা ৫]

• সুতরাং তুমি সবরকারীদের সুসংবাদ দাও। [সুরা আল-বাকারাহ ১৫৫]

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ